Category Archives: এন্ড্রয়েড

এন্ড্রয়েড সমাচার : বেসিক আলোচনা – (পর্ব : ৩)

এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন কি :

সহজ ভাষায় বলতে হলে এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন’ হচ্ছে এন্ড্রয়েড ডেভেলপারদের দ্বারা ডেভেলপ করা সফটওয়্যার যা সাধারণত স্মার্ট-ফোন বা কোন স্মার্ট ডিভাইসের জন্য করা হয়ে থাকে। এন্ড্রয়েডের ভাষায় এই ডেভেলপ করা সফটওয়্যারকে এপ্লিকেশন’ বা সংক্ষেপে এ্যাপ বা এ্যাপস বলে।

android apps

এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশান

অনেক ধরনের এ্যাপস রয়েছে। এর ভিতরে কিছু এ্যাপ ডিভাইসকে নতুন সিস্টেমে পরিণত করে, কেউ নতুন সাজে সাজায় – যাকে থিম বলে; কিছু ‘এ্যাপ’ সময় কাটানোর জন্য বা বিনোদের জন্য কাজে আসে – যেমন : গেমস, মিউজিক প্লেয়ার, ভিডিও প্লেয়ার, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ইত্যাদি; এডুকেশনাল এ্যাপও রয়েছে প্রচুর পরিমানে – যেমন : ‘ডিকশনারি’, ‘গুগল ট্রান্সলেট’, ‘এনসাক্লোপেডিয়া’ থেকে শুরু করে অসংখ্য এ্যাপস; ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য যে সিস্টেম বা ব্রাউজার তাও একটি এ্যাপ; এছাড়াও যোগাযোগ রক্ষার জন্য রয়েছে ‘স্কাইপ’, ‘ইয়াহু মেইল ও ম্যাসেঞ্জার’, ‘গুগল মেইল’, ‘জি-টক’, ‘ফেইসবুক’ ইত্যাদি। এইভাবে আরও অনেক ধরনের এপ্লিকেশন রয়েছে। মূলত এই সকল এপ্লিকেশনই হচ্ছে এন্ড্রয়েড ফোনের/ডিভাইসের প্রাণ।

এন্ড্রয়েড সমাচার : বেসিক আলোচনা – (পর্ব : ২)

স্মার্ট-ফোন :

স্মার্ট-ফোন হচ্ছে একটি ফোন যা তৈরি করা হয়েছে বিশেষ কিছু বাড়তি সুবিধা দিয়ে। সাধারণত একটি স্মার্ট-ফোনে পিডিএ, ডিজিটাল ডায়েরী, পোর্টেবল মিডিয়া প্লেয়ার, ডিজিটাল ক্যামেরা, পকেট ভিডিও ক্যামেরা এবং জিপিএস ন্যাভিগেশনের সকল সুবিধাই থাকে। আরও থাকে ওয়াই-ফাই এবং অনেক কিছু।

সহজ কথায় বলতে গেলে বলতে হয় স্মার্ট টেকনোলজি’ব্যবহার করে যে সকল ফোন তাদের ‘স্মার্ট ফোন’ বলে।

স্মার্ট টেকনোলজি :

ইংরেজিতে ‘S.M.A.R.T.’ যার পূর্ণ রূপ হলও (Self-Monitoring, Analysis and Reporting Technology) একে আবার ‘SMART’ এইভাবেও লেখা হয়।

অর্থাৎ যে ডিভাইস নিজেই নিজেকে মনিটরিং (দেখাশুনা) করতে পারে, পর্যবেক্ষণ করতে পারে, সমস্যা নির্ণয় করতে পারে এবং সেই সাথে নিজেই রিপোর্ট প্রদান করতে পারে তাকে স্মার্ট টেকনোলজি বলা হয়।

যেমন : কোন স্মার্ট ডিভাইস নিজেই তার তাপমাত্রা পরিমাপ করবে (কতটুকু গরম হয়েছে), নিজেই এনালাইসিস করবে এই গরমটি উপযুক্ত কিনি, যদি গরম বেশি হয়ে যায় তাহলে রিপোর্ট দেবে এবং প্রয়োজনে নিজেই নিজেকে শাট-ডাউন বা বন্ধ করে দেবে।

এন্ড্রয়েড সমাচার : বেসিক আলোচনা – (পর্ব : ১)

কিছু কথা :

(প্রথমেই বলে নিচ্ছি, এই বার্তি কথাগুলো অযথাই মনে হবে। তারপরেও বেসিক আলোচনায় এই কথাগুলো না বললেই নয়। বেসিক পর্ব শেষ হলেই পরবর্তী আলোচনা হবে শুধুমাত্র এ্যাপ/গেম এর রিভিউ ও ডাউনলোড এবং এ্যাপ ডেভেলপমেন্ট নিয়ে।)

আমি কোন এন্ড্রয়েড পণ্ডিত নই। এই বিষয়ে আমি এক ছাত্র মাত্র। নেট ঘেঁটে যেটুকু জানতে পারছি আর সামনে পারবো সেই সব আমি এই বইতে শেয়ার করবার চেষ্টা করবো। অনেকেই আছে নেট ঠিক মত ঘাটে না বা ঘাটার পর যখন দেখে ইংরেজিতে অনেক অনেক লেখা তখন নিরাশ হয়ে যায়। তাদের জন্য আমি খুবই সহজে লেখার চেষ্টা করবো। কোন কিছুরই বিস্তারিততে না গিয়ে যা জানা এই মুহূর্তে প্রয়োজন একজন নতুন হিসাবে ঠিক সেইটুকুই দিতে চেষ্টা করবো।

আমি বরাবরই টেকনোলজির প্রতি আগ্রহী। নিত্যনতুন গ্যাজেট এর ব্যাপারে জানার ইচ্ছেটা প্রবল। আর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ার সুবাদে প্রোগ্রামিং এর প্রতিও ঝোঁকটা বেড়ে গেছে কিছুটা (যদিও ক্লাসের এ্যাসাইনমেন্ট ছাড়া প্রোগ্রামিং এর কিছুই পারি না :p )

আমি আবার আমার সেলফোন পরিবর্তনে এক ধাপ এগিয়ে। রিসেন্টলি আমি যে সেলফোনটি ব্যবহার করছি সেটা হল একটি স্মার্ট-ফোন, যার অপারেটিং সিস্টেম ‘এন্ড্রয়েড’।

আমি যে অনেক জানি এই ব্যাপারে, তা কিন্তু না। তবে, যেটুকু জানি, যখনই জানবো সবই এখানে শেয়ার করার চেষ্টা করবো।

আমার কিছু ছোটভাই/বন্ধু, যারা আমার হাতে এই ফোনটি দেখে হুট করে এন্ড্রয়েড ফোন কিনে পড়েছে মহা বিপাকে আর আমাকে প্রায়ই ফোন করে, ফেইসবুকে ম্যাসেজ দিচ্ছে এবং বাসাতেও আসছে এটা, ওটা সমস্যা নিয়ে। চেষ্টা করি সমাধান দেবার। আর না পারলে (ফান করে) বলি ফোনটা পাল্টে ফেলে সহজ কোন ফোন কিনে নেও। :p বলেই আমি নেটে ঘাটতে থাকি তার সমস্যাটি সমাধানের জন্য।

আমার সেই সকল সমস্যায় পড়া ভাই/বোনদের কথা মনে করেই ‘এন্ড্রয়েড’ নিয়ে আমার এই পোস্ট ! 🙂

এখানে এন্ড্রয়েড এর বেসিক নিয়ে যেমন আলোচনা করার চেষ্টা করবো, তেমনি এ্যাপস ও গেমস নিয়ে এবং এ্যাপস ডেভেলপিং নিয়েও আলোচনা করার চেষ্টা করবো। তবে সব কিছুর একটা ধারাবাহিকতা আছে। আমি সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এই সকল ভূমিকা এবং ইতিহাস দিয়ে শুরু করছি।

তবে বিস্তারিততে যাবো না। অনেকেই আছে একদম নতুন তারা জানতে চায় ঠিকই কিন্তু বিস্তারিত আলোচনার জন্য তারা যা জানতে চায় তাই তাদের অজানা রয়ে যায়, সেদিকটাও লক্ষ রেখে এখানে লেখার চেষ্টা করছি।

এন্ড্রয়েড কি :

এন্ড্রয়েড হচ্ছে একটি লিনাক্স-বেইসড অপারেটিং সিস্টেম, যা ডিজাইন করা হয়েছে প্রধানত টাচ-স্ক্রিন ডিভাইসের জন্য যেমন স্মার্ট-ফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটার। আর এই অপারেটিং সিস্টেমটি যারা ডেভেলপ করেছেন সেই ডেভেলপারদেরকে গুগল কিনে নেয় ২০০৫ সালে। তারপর থেকেই ‘এন্ড্রয়েডের’ মালিক এখন গুগল।