Category Archives: ভিন্ন-লেখা

‘টু-ওয়ে মিরোর’ কি এবং কি করে বুঝবেন আপনার আয়নাটি ‘টু-ওয়ে মিরোর’ কিনা ?

টু-ওয়ে মিরোর কি ?

মিরোর বা আয়না আমরা সবাই চিনি। আয়না আমরা নিজেকে দেখার কাজে ব্যবহার করি। এছাড়াও আরও অনেক ধরনের কাজে ব্যবহৃত হয়। বাথরুমে, ড্রেসিং রুমে, হোটেল এবং আরও বিভিন্ন স্থানে আয়না বসানো থাকে আমাদের উপকারের জন্যই।

কিন্তু কেমন হয় যদি এই আয়নাটি ব্যবহার করে আমাকে শুধু আমিই নই অন্য কেউ দেখতে পায় ঠিক সেই সকল স্থানে যেখানে প্রাইভেসি থাকা উচিত !! আমরা যে আয়নাটি ব্যবহার করছি সেটা কি সিকিউর ! হ্যা এট আসলেই চিন্তার বিষয়।

আয়না আবার সিকিউর হবে না কেন?

কিছু কিছু আয়না আছে যার দুইটি পাশ থাকে, একপাশ রিফ্লেক্ট করে যেটা ব্যবহার করে আমরা নিজেকে দেখতে পাই এবং অপর পাশ থাকে ট্রাস্পারেন্ট যা ব্যবহার করে অন্য কেউ আমাদের দেখতে পায়। একেই বলে ‘টু-ওয়ে মিরোর’।

সর্বক্ষণ হাসতে থাকা একটি ছেলে

ছেলেটি একটি দুর্লভ ব্যাধিতে আক্রান্ত। যার কারণে তার হাটতে এবং কথা বলতে কষ্ট হয়। কিন্তু সে সব সময় খুশি থাকে। কারণ সে তার হাসি থামাতে পারে না। আর এটাই এর রোগ।

ছেলেটি ওয়াইল্টশায়ার এর ডেভিজেস নামক অঞ্চল বাস করে, নাম ‘ওল্লী প্যাথেরিক’। সে জন্ম থেকেই এ্যাঞ্জেলমেন সিনড্রোমে (ক্রোমোজন ডিসঅর্ডার) আক্রান্ত। এর ফলে সে অনেক ধরনের জটিলতায় ভুগছে। এবং তার মুখটি সর্বক্ষণ এমনভাবে থাকে যেন সে হাসছে। সহজেই সে উত্তেজিত হয়ে পরে। সে খুবই শান্ত প্রকৃতির ছেলে।

ওল্লী ও তার মা

ওল্লী ও তার মা

এমন কেইস লন্ডনে অনেক কম দেখা যায়। প্রায় ১০০০ এর ও কম কেইস এমনটি দেখা গিয়েছে সেখানে। তার মা ‘ক্যাম্পবেল’ অনেক চেষ্টা করেন তাকে সুস্থ করে তোলার জন্য। কোন ডাক্তারই তা ঠিক করতে পারেনি। ক্যাম্পবেল অনলাইনেও এই রোগ নিয়ে অনেক পড়াশোনা করে যাচ্ছে। কিন্তু এখনও কোন উপায় বেড় করতে পারিনি। ক্যাম্পবেল এমন অনেক মা’য়েদের সাথে যোগাযোগ করেছেন যাদের সন্তানরাও এই এ্যাঞ্জেলমেন রোগে আক্রান্ত। তিনি তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছেন, যদি কিছু করা যায়। তিনি তার ছেলেকে নিয়ে খুবই চিন্তিত এবং সব সময় কষ্টে থাকেন। তিনি বলেন তিনি তার ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তেমন চিন্তিত নন। তিনি সবসময় ভাবেন কি করে বুঝবেন তার ছেলে কখন কষ্টে থাকে। ছেলে প্রকৃত অনুভূতি বুঝবেন কি করে এটাই তার কষ্ট।

বিশ্বের সব থেকে কম বয়সী মন্ত্রী

মাত্র ১৬ বছর বয়সে পা দিয়েই মন্ত্রী হয়ে যায় প্যালেস্টাইনের একটি মেয়ে, নাম ‘বাশায়ের ওথমান’। বর্তমানে সেই বিশ্বের একমাত্র কম বয়সী মন্ত্রী। সে ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের লোকাল এডমিনেষ্ট্রেশন মন্ত্রণালয় পরিচালনা করেছিল একটি দিনের জন্য। সেই সময় দায়িত্বশীল মন্ত্রী ‘ইহাব বেসাইসো’ মেয়েটির গ্রাম পরিদর্শনে গিয়েছিলেন।

বাশায়ের ওথমান : বিশ্বের সব থেকে কম বয়সী মন্ত্রী

বাশায়ের ওথমান : বিশ্বের সব থেকে কম বয়সী মন্ত্রী

এই মেয়েটি আগেও একবার দুই মাসের জন্য মেয়র পদেও ছিল। এক বছর আগেও একবার দুই মাসের জন্য বাসায়ের আল্লার শহরের মেয়র হয়েছিল। সেই সময় সেখানে প্রায় ৯০০০ লোকের বসবাস ছিল। হিজাব পরিহিত এবং সম্পূর্ণ চুল ঢেকে থাকা এই মুসলিম মেয়েটি সেই সময় এই ৯০০০ লোকের সমস্যা সমাধানে কাজ করেছিল।

মেয়েটি স্প্যানিশ এক খবরের কাগজ ‘এবিসি’ তে বলেছিল, “বেসাইসো সাহেব আমার শহর পরিদর্শনে গিয়েছিল এবং তিনি জানতেন যে আমি সেখানকার মেয়র পদে ছিলাম। আমি উনাকে আমার পরিকল্পনার কথা বলেছিলাম এবং তিনি অনেক অবাক হয়েছিলেন তা শুনে। আমি বলেছিলাম আমি আগ্রহী সেইসব কমবয়সী মানুষের জন্য যারা জানতো যে কোন কিছুই অসম্ভব না”। এর সাথে সে আরও যুক্ত করেছিল, “আমার মনে হয় প্যালেস্টাইনে কমবয়সী ছেলেমেয়েদেরকে রাজনীতিতেও আসা উচিত”।

লেখা : এলিন ২০১৩

সুত্র : অনলাইন

বয় থেকে বিউটিকুইন !!

বিউটি কুইন’ প্রতিযোগিতা যেখানে মেয়েরাই কেবল অংশগ্রহণ করতে পারে, সেখানে অংশগ্রহণ করেছিল ২১ বছরের এক ছেলে, ‘ড্যানিয়েল’। আশ্চর্য বিষয় হচ্ছে ডেনি যে ছেলে সেটা কেউ বুঝতে পারেনি। তাই তো তাকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হয়েছিল। তার চেহারা সুন্দর এক মেয়ের থেকে কোন অংশে কম ছিল না। এছাড়াও তার ছিল মেয়ে-সুলভ আচরণ, ঠোট নাড়ানো এবং অভিমান করার ধরন। যার কারণে যে কারও পক্ষে বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে পড়ে ডেনি একজন ছেলে। ওয়েলস এর বেরি নামক এক শহর থেকে ডেনি এসেছিল লন্ডনের সেই ‘বিউটি কুইন ২০১৩’ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে।

Boy to beauty queen

ড্যানিয়েল

লেখা : এলিন ২০১৩

বিশ্বের প্রথম নাইটক্লাব যা তৈরি করা হয়েছে কেবল ছোটদের জন্য

নাইটক্লাব, যেখানে প্রাপ্তবয়স্ক ছাড়া অপ্রাপ্তবয়স্কদের যাওয়ার অনুমতি নেই। যদি এমন কোন নাইটক্লাব তৈরি হয়, যেখানে অপ্রাপ্তবয়স্করাই কেবল প্রাধান্য পাবে ! চমকে যাবার মত কথা তাই না ?

হ্যাঁ, সত্যিই এইবার বিশ্বের প্রথম নাইটক্লাব তৈরি করা হয়েছে যা কেবল ছোটদের জন্য। ছোট মানে শুধু টি-নেজার তারা নয়, ১০/১২ বয়সের শিশুরাও সেখানে যেতে পারবে !nightclub in russia

নাইটক্লাবটি তৈরি করা হয়েছে রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্কে, যাকে রাশিয়ানরা ‘ভূগর্ভস্থ গ্যারেজ’ বলে থাকে। সেখানেই ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা সারারাত ধরে পার্টি করে থাকে।

সেখানে মনে হয় না ড্রিঙ্কস করার জন্য কোন বয়সের সীমা দেয়া রয়েছে। যে যত পারে ড্রিঙ্কস করে যাচ্ছে। এছাড়াও যা ইচ্ছে তাই তারা করতে পারছে কোন প্রকার বাঁধা ছাড়াই। আর এই বয়সের ছেলেমেয়েদের কাছে এর থেকে বড় পাওয়া কি হতে পারে ! তাই যতই দিন যাচ্ছে ভিড় বেড়েই চলছে এই সকল অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়েদের এই নাইটক্লাবটিতে।