Tag Archives: কবিতা

“তবুও বেঁচে আছি”

প্রকৃতির নিষ্ঠুরতা গ্রাস করে নিচ্ছে

ধীরে ধীরে আমার সর্বস্ব !

গ্রাস করে নিচ্ছে সকল মায়ার বাঁধন !

সংকুচিত হয়ে পড়ছে কৌতূহলে পরিধি।

ছিনিয়ে নিচ্ছে সরলতা-মাখা সেই ছোট্ট মন;

উদ্দীপনায় ভরা হৃদয়ের কম্পন।

ধ্বংস করে দিচ্ছে দৃষ্টির সীমানা।

শুধু তোমাকে নিয়ে

আজ আর বলবো না।
আজ আর বলবো না, হৃদয়ে জমে থাকা কষ্টের কথা।
আজ আর বলবো না।

আজ আর শোনাবো না,
হাঁসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা কান্নার শব্দ।

আজ থাকনা পড়ে সেই সব পুরনো এক ঘেয়েমী কথাগুলো !
আজ নাই বা দেখলে হৃদয়ের সেই সব পুরনো ক্ষত,
যা প্রতিদিন দেখে যাও, গুনে যাও অবিরত।

ভয়

যদি বল আমায়,

ঐ দুর নীলিমায়,

ছড়িয়ে দেবো তোমার ঠোঁটের রং।

যদি বল একবার,

পৃথিবীর সব সুন্দর কেড়ে এনে দেবো।

যদি ভালো লাগে আকাশের ঐ চাঁদ,

পেড়ে এনে দেবো।

যদি চাও হৃদয়ের গহীন হতে এনে দেবো-

গাড় নীল।

ক্লান্ত আমি

জানি না কি চাই আমি
কিসে হবো শান্ত;
অশান্ত হৃদয় আমার
বেদনায় আক্রান্ত।
ছটফট করে মন
অকারণ অস্থির
পারিনা রাখতে মাথা
দু’মিনিট স্থির।
এটুকু হৃদয় মোর
জানিনা কি চায়!
যত কিছু দেই তারে
তবুও কাঁদায়।
জানি না কি চাই আমি
নাকি সবই ভ্রান্ত
জানিনা কি পেলে আমি
হবো চীর-শান্ত।
মনে হয় মৃত্যুই দিতে পারে শান্তি-
আর কিছুই চাইনা-
আমি বড় ক্লান্ত।
                          – এলিন

“অদ্ভুদ তুমি”

তোমায় কেন জানি বুঝেও বুঝিনা!

এতো কিছু বুঝি,

এতো কিছু জানি,

বলে ফেলি অতিতের কত ঘটনা-

শুধু তোমায় কেন জানি, বুঝেও বুঝিনা!

কখনও বা তুমি শান্ত অতি,

ধীরে ধীরে বয়ে যাওয়া কোন এক নদী;

কখনও বা উত্তাল অশান্ত ঢেউ,

অতি চেনা, সুনয়না, আমারই কেউ।

কখনও বা দ্বিধাহীন ছোট্ট শিশু,

কখনও অস্থীর, আনমনা;

… তোমায় চিনেও চিনি না,

… কেন জানি চিনতে পারি না!

                                    -এলিন  [ এপ্রিল-২০১০]