Tag Archives: জাপান

মোবাইল ফোনে চলবে গাড়ি

মোবাইল ফোন আজকাল শুধু কথা বলার জন্যই নয়, গাড়ির চাবি হিসেবেও চলছে এর ব্যবহার। জাপানের শার্প কর্পোরেশন ‘নিশান’ ব্র্যান্ডের গাড়ির জন্য এমনই এক মোবাইল ফোন তৈরি করবে, যার মধ্যে থাকবে ‘ইন্টেলিজেন্ট কি’ অপশন। অপশনটির ব্যবহারকারী তার গাড়ির চাবি পকেট থেকে বের না করেই গাড়ির দরজার লক খুলতে এবং গাড়ি স্টার্ট দিতে পারবেন। তবে শর্ত হচ্ছে, চাবি থাকতে হবে হাতের কাছেই। নতুন উদ্ভাবিত এ মোবাইল ফোন এবং গাড়িতে এ প্রযুক্তি থাকার পাশাপাশি আপনার মোবাইল অপারেটরও যদি এ সুবিধা প্রদান করে থাকে, তবেই আপনি এ সুবিধার সম্পূর্ণ সুফল ভোগ করতে পারবেন। বর্তমানে জাপানের সর্ববৃহৎ মোবাইল অপারেটর এনসিসি ডকোমোই একমাত্র এ সুবিধা প্রদান করছে। উল্ল্যেখ্য, জাপানের এ মোবাইল কোম্পানি এ বছর একটেলের কিছু শেয়ার কিনে নেয়।

উৎস : ইন্টারনেট ২০০৮

The glasses that can find anything

You know the feeling. Call it a senior moment, absent-mindedness or a sign of what a busy active brain you have. We’ve all asked ourselves that irritating question: “Where on earth did I leave my car keys?”

Now a team of Japanese scientists claim to have come up with the

‘সুমো ভাইরাস’!!

sumo virus

দুই সুমো রেস্টলার যারা ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত

‘ভাইরাল স্কীন’ (ভাইরাসের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ স্কীন) এর সাথে সম্পর্ক থাকে কিছু খেলাধূলার। যেমন; রাগবি ও রেস্টলিং। এর কারণে জাপানের দুইজন সুমো রেস্টলার মৃত্যুবরন করেছিলেন।

‘হার্পস গ্লাডিয়াটোরাম’, ‘স্ক্রামপক্স’ এগুলো এক প্রকার ইনফেকশান, যা এই ভাইরাসের কারণে হয়। হার্পস ইনফেকশান সাধারনত সেক্স এর সাথে সম্পর্ক থাকে। এবং অনেক সময় ইহা শরীরের অন্যান্য অংশতে ক্ষতিগ্রস্থ করে।

‘হার্পস গ্লাডিয়াটোরাম’ সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে শরীরের ছিড়ে পড়া অথবা ভাঙ্গা চামড়ার মাধ্যমে। এবং খেলাধূলার সাথে এর সম্পর্ক থাকে। যেমন, রেস্টলিং (যাতে শরীরের সাথে শরীরের নিকটতম যোগাযোগ হয়)।

গবেষকরা আক্রান্ত রেস্টলারদের উপর গবেষনা করেছেন এবং ‘জেনারেল ভাইরোলজি’ জার্নালে ৩৯ জন আক্রান্ত সুমো রেস্টলারদের কথা লিখেছেন। তারা বলেন, এই ধরনের খেলায় (শরীরের সাথে সংযোগ থাকে) খুব সহজেই সিরিয়াস আঘাত পাবার সম্ভাবনা থাকে এবং রেস্টলাররা সিরিয়াস আঘাত পেয়েও থাকে।

যিনি গবেষনা করেছেন সেই দুই জন সুমো রেস্টলারদের নিয়ে যারা মারা গিয়েছেন উক্ত ভাইরাসের কারনে তার নাম ‘ডা. কাজুও ইয়ানাগি’। তিনি বলেন এই হার্পস ভাইরাস লুকিয়ে থাকে আমাদের নার্ভস সেলে অনেক সময় ধরে এবং এর লক্ষণসমূহ অনেক পরে বুঝা যায়।

উৎস : বিবিসি নিউজ (২০০৮)
অনুবাদ : এলিন (এডমিন)