Category Archives: কৌতুকসমূহ

কৌতুক

ডাক্তার ও উকিল
ডাক্তার: ডাক্তার দেখতে পেলেই সবাই যেখানে সেখানে পরামর্শ চায়। বলতে পারেন কী করে এসব লোকর হাত থেকে বাঁচা যায়?
উকিল: খুব সহজ। চেম্বার গিয়ে তাদের ঠিকানায় পরামর্শ ফি এর বিল পাঠিয়ে দেবেন।
ডাক্তার: ঠিকই বলেছেন আমি এখন থেকে তাই করব। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
উকিল: এখন আমার পরামর্শ ফি টা দিয়ে দিন।

কৌতুক

পৃথিবী গোল কেন
শিক্ষক : পৃথিবী কেন গোলাকার তার তিনটি কারণ বল।
ছাত্র : আমার বাবা বলেন পৃথিবী গোলাকার। আমার মাও বলেন এবং আপনিও বলেন পৃথিবী গোলাকার।

আমার ডিম
ক্রেতা : এগুলো কার ডিম?
বিক্রেতা : আমার ডিম।
ক্রেতা : আমি মনে করেছিলাম মুরগির ডিম।

ডাক্তারের সাজেশন
: ডাক্তার সাহেব, আমার ছেলে আমার কলম গিলে ফেলেছে। তাড়াতাড়ি আসুন।
: আপাতত পেন্সিল দিয়ে কাজ চালিয়ে নিন। আমি আসছি।

উৎস : কীডসবিডিনিউজ ২০০৮

কৌতুক

(১)
ডাক্তার : আপনার রোগীর কেমন উন্নতি হচ্ছে?
নার্স : বড্ড স্লো! এতদিনেও আপনি থেকে তুমিতে নামতে পারেনি।

রাশিয়ান কৌতুক

রুশরা জাতি হিসেবে অনেক কৌতুকপ্রবণ। জীবনের অনেক কঠিন সত্য তারা কৌতুকের মাধ্যমে সহজভাবে তুলে আনে। তারই কয়েকটা এখানে দেওয়া হলো-

‌(১) দুই বান্ধবী গল্প করছে।

প্রথমজন : আর পারি না। বুঝেছিস!আমার স্বামী সব সময় তাঁর আগের বউয়ের কথা বলতে থাকে।

দ্বিতীয়জন : তাও ভালো! আমার স্বামী তো ভবিষ্যতে তার বউ যে হবে, তাকে নিয়ে কথা বলে।

(২) মন:শ্চিকিৎসকের কাছে এসেছেন এক নারী।

নারী : ডাক্তার সাহেব, আমার স্বামী নিজেকে নেপোলিয়ন ভাবা শুরু করেছে।

ডাক্তার : ঠিক আছে, চিকিৎসা শুরু করে দেব শিগগিরই।

নারী : কিন্তু ডাক্তার, চিকিৎসা করার চেয়ে তাকে কোনো এক দ্বীপে ছেড়ে দিয়ে আসা কি বেশি সহজ নয়?

(৩) এক যুবক বইয়ের দোকানে এসে জিজ্ঞেস করছে আপনাদের এখানে কি সাত দিনে কোটিপতি হওয়ার সহজ উপায় বইটি আছে?

– আছে। তবে সে বইটি জোড়া হিসেবে বিক্রি করা হয়, ফৌজদারি আইন, জেলখানা ও জেলে ভিতরে জীবন বইটির সঙ্গে।

(৪) দাদি : যা-ই বলিস! আমাদের সময় গানগুলো ছিল অনেক বেশি মোলোডিনির্ভর।

নাতনি : দাদি! এটা গান বাজছে না! মিক্সচারমেশিন কাজ করছে।

উৎস : প্রথম আলো ২০০৮

কৌতুক

এক দম্পতির ঘরে এক ফুটফুটে ছেলে হল।

ছেলেটির বয়স এক ছাড়িয়ে দুই-এ পড়ল। তবু ও কান্না ছাড়া আর কোন কথা বা শব্দ করতো না।
এই নিয়ে ছেলের বাবা মা দু’জনই চিন্তিত।

এক সকালে ছেলেটি দাদা বলে কেঁদে উঠলো। এরপর ঘটলো এক আজব ঘটনা!
দেখা গেল ছেলেটির দাদা মাটিতে গড়াগড়ি খেতে খেতে মারা গেল।
পরদিন ছেলেটি একমাএ ফুফুর নাম নিতে তিনি ও শেষ।
একইভাবে কাকা,মামা,খালাও শেষ।

এরপর ছেলেটি যখন বাবার নাম নিল তখন ঘটলো আরেক আজব ঘটনা!
এর পরপরই পাশের বাড়ির এক কাকা মাটিতে গড়াগড়ি খেতে আরম্ভ করলো; ছেলেটির বাবা ওর মার দিকে
বাকহীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলো।

উৎস : প্রজন্ম ডট কম