‘সায়ান’ – বাংলাগানের ভবিষ্যত উজ্জল তারকা এবং আমার প্রিয় একজন

আমি সহজে খুব একটা টেলিভিশন দেখিনা। আর যখন দেখি তখন শুধুই চ্যানেল পরিবর্তনের খেলায় মেতে থাকি। কিছুটু অধৈর্যভাবেই টিভির সামনে বসে থাকি। কিন্তু হঠাৎ করে গতকাল ‘বিটিভি’ ক্রস করে যাবার সময় ‘সায়ানকে’ দেখি। আর চ্যানেল পরিবর্তন করা হলো না। একদম ভিন্নধর্মী এক মানুষ। রহস্যময় ও খুবই আকর্ষনীয় লাগল আমার কাছে। বিশেষ করে তার লেখাগুলো খুবই ভালো লাগল। তিনি কবিতা ও গান লিখেন, সুর করেন, নিজেই সেটা গান এবং গীটার বাজিয়ে সুর তুলেন। দারুন প্রতিভা। আমি তখনই মনে মনে ঠিক করলাম তাকে নিয়ে কিছু একটা নতুন পোষ্ট দেবো। ‘সামহয়্যারের’ সহযোগিতায় পোষ্টটি সম্পূর্ণ করতে পেরে ভালো লাগছে।…

Read More

রবীন্দ্রনাথের জবাব

জীবনের শেষ দিকে এসে রবীন্দ্রনাথ একটু সামনের দিকে ঝুঁকে উবু হয়ে লিখতেন।

একদিন তাঁকে ওভাবে উবু হয়ে লিখতে দেখে তাঁর এক শুভাকাঙ্ক্ষী তাঁকে বলল, ‘আপনার নিশ্চয় ওভাবে উপুড় হয়ে লিখতে কষ্ট হচ্ছে। বাজারে এখন এ রকম অনেক চেয়ার আছে যেগুলোতে আপনি হেলান দিয়ে বেশ আয়েশের সঙ্গে লিখতে পারেন। ও রকম একটা আনিয়ে নিলেই তো পারেন’।

লোকটার দিকে খানিকক্ষণ চুপচাপ তাকিয়ে রবীন্দ্রনাথ জবাব দিলেন, ‘তা তো পারি। তবে কি জানো, এখন উপুড় হয়ে না লিখলে কি আর লেখা বেরোয়। পাত্রের জল কমে তলায় ঠেকলে একটু উপুড় তো করতেই হয়’।

উৎস : প্রথম আলো ২০০৮