Tag Archives: রোবট

রোবট ড্যান্স : গাং-নাম স্টাইলের তালে নেচে প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করেছে এক রোবট

চীনের পূর্বাঞ্চল ‘হ্যাংঝোউতে’ একক নৃত্যের উপরে একটি প্রতিযোগিতা হয়েছিল। সেখানে বিচারকও ছিলেন, দর্শকরাও ছিলেন, যেমনটি থাকে অন্যান্য সাধারণ প্রতিযোগিতাগুলিতে।

কিন্তু এই প্রতিযোগিতাটি অন্যান্য প্রতিযোগিতা থেকে ভিন্ন ছিল। এখানেrobot gangnam style dance প্রতিযোগীরা কোন মানুষ ছিল না। এই প্রতিযোগিতা হয়েছিল কিছু সংখ্যক রোবটদের নিয়ে।

আর সেখানে সকল রোবট নৃত্যশিল্পীদেরকে হারিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করে একটি রোবট, যে নেচেছিল এখনকার দিনের সারা জাগানো গান ‘গাং-নাম স্টাইল’ এর সাথে। এই গানটি এই পর্যন্ত ইউটিউবে ৬০০ মিলিয়নের মত হিট পড়েছে।

এই ‘গাং-নাম স্টাইল’ গানটি গেয়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার একজন র‍্যাপার (যে র‍্যাপ গান গায়) Psy । তিনি এই গানটি রিলিজ করেন এই বছরের জুলাই মাসে। এতে তিনি একটি বিশেষ স্টাইলে নেচেছেন যাকে নাম দিয়েছেন ‘গাং-নাম স্টাইল’ বা ‘হর্স ড্যান্সিং’।

নিচে ভিডিওটি দেখুন (ভিডিও লিংকটি মাঝে মাঝে কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে 🙁 )

ইউটিউব লিংক : http://youtu.be/lwcz0S_oqZM

উৎস : বিবিসি নিউজ ২০১২

নিঃসঙ্গ পুরুষের জন্য Robot Girlfriend

রোবটটি খুবই বন্ধু-ভাবাপন্ন, কিঞ্চিত বড় সাইজের, এবং সে ব্যাটারির সাহায্যে চলাফেরা করতে সক্ষম ।
Sega, যাকে বেশির ভাগ মানুষ চিনে বাসার ভিডিও গেম হিসাবে যা এইবার পরিচিত করিয়ে দিল এই রোবটটির সাথে। রোবটটি একটি মেয়ে রোবট,

যার উচ্চতা ১৫ ইঞ্চি লম্বায় এবং নাম দেয়া হয়েছে ‘Girlfriend’। এই রোবটটি কমান্ডের মাধ্যমে চুম্বন করতেও সক্ষম ঠিক টার্গেট-মত কোন বড় নিঃসঙ্গ মানুষকে । এই রোবটটির রিয়েল নাম রাখা হয়েছে “EMA” (ইমা), যার পুরো অর্থ দ্বারায় Eternal Maiden Actualization। ইহা মানুষের মাথার মত ভাঁজ করতে পারে এবং লাভ-মোডে যেতে পারে সম্পূর্ণ সেন্সর ব্যবহার করে। এই রোবটটি খুবই ভালোবাসার যোগ্য এবং সে কোন মানুষ না কিন্তু একদম আসলে গার্ল-ফ্রেন্ডের

মত আচরণ করতে পারে।
EMA ব্যবসায়ে ব্যবহারযোগ্য কার্ডে সাইনও করতে পারে এবং ড্যান্স দিতে পারে।
Sega আশা করছে এর বিক্রি হতে পারে প্রথম বচরেই ১০ হাজার এর মত ।

রোবটের মাথায় জীবন্ত কোষ!

রোবট তৈরির ক্ষেত্রে চাঞ্চল্য ফেলে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ সম্প্রতি তারা এমন রোবট তৈরি করেছেন যার মাথায় রয়েছে বায়োলজিক্যালব্রেইন৷ ফনে রোবটটি নিজেই নিজেকে পরিচালিত করতে পারে৷ তার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাইরে থেকে কমপিউটারভিত্তিক কোনো কমান্ড দেয়ার প্রয়োজন হয় না৷ কোনো সমস্যা হলে নিজেই নিজের ডাক্তারের ভূমিকা নিতেও সক্ষম এই রোবট৷ এ পর্যায়ে রোবটটির নাম দেয়া হয়েছে গর্ডন৷ আর এটি তৈরি করেছেন যুক্তরাজ্যের রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা৷
রোবটের মধ্যে বায়োলজিক্যালব্রেইন হিসেবে তারা ব্যবহার কছেন ইঁদুরের মস্তিষ্কের কোষ৷ আর এই কোষ থেকে সঙ্কেত পাওয়ার ভিত্তিতেই কাজ করছে গর্ডন৷ বিজ্ঞানীরা রোবটের মধ্যে ইঁদুরের তিন লাখ স্নায়ুকোষ স্থাপন করেছেন৷ এই স্নায়ুকোষ একটি সোলারের (প্রতিফলিত শব্দতরঙ্গের সাহায্যে পানিতে নিমজ্জিত বস্তুর সন্ধান ও তার অবস্থান নির্ণয় করার যন্ত্র) মাধ্যমে রোবটকে দিকনির্দেশনা দেবে৷

প্রাথমিক পর্যায়ে এখন এসব স্নায়ুকোষকে শেখানো হচ্ছে যে কীভাবে গর্ডন তার চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করবে এবং কীভাবে নিজের চলার পথের সব প্রতিবন্ধকতা দূর করবে৷ আশেপাশের পরিবেশ সম্পর্কেও স্নায়ুকোষগুলোর থাকবে সুস্পষ্ট ধারণা৷ ইঁদুরের মস্তিষ্কের শ্বেত পদার্থের বহিরাবরণ নিয়ে রোবটটির মস্তিষ্ক তৈরি করা হয়েছে৷ স্নায়ুকোষগুলো জীবন্ত থাকায় বিদ্যুত্বাহী যন্ত্রপাতির সাথে এদেরকে না রেখে একটি পৃথক তাপনিয়ন্ত্রিত কেবিনে রাখা হয়েছে৷