Category Archives: খেলাধূলা

অনেকদিন পর আবার ‘দাবা’ নিয়ে টুকিটাকি এবং অনলাইনে দাবা খেলার জন্য ভালো একটি সাইট

আগে মানে অনেক আগে প্রচুর ‘দাবা’ খেলা হতো। আমার বন্ধুদের সাথে, ক্লাশম্যাটদের সাথে, কাকা/মামাদের সাথে, আমার আম্মুর সাথে এমনকি একা একাও। বলা যায় আমি ছিলাম দাবার একটা ফ্যান। তখন ধৈর্যও ছিল অনেক। মোটামুটি খুব একটা খারাপও খেলতাম না এই দাবাটা। এখনও মনে পড়ে, সাইফুল, সোহাগ, রাজীব এর কথা এমনকি আমার শাহাদাত কাকার কথাও। আমার সাথে দাবা খেলত প্রতিদিন অন্তত ১ গেম হলেও। আমি আমার স্যার (যিনি বাসাতে পড়াতেন) তাঁর সাথেও দাবা খেলতাম পড়ার শেষে।

কিন্তু আজ আর এমন ধৈর্যশক্তিও নেই আর মানুষিক অবস্থাও নেই। তাই দাবার মত এত সুন্দর একটি খেলা থেকে দূরে সরে যাচ্ছি।

কি মনে করে যেন আবার দাবার কথা মনে পড়তেই টুকটাক এটাকে নিয়ে নাড়াচাড়া করা পড়ছে। প্রথমে ধরলাম উইন্ডোজ ৭ এর ‘Chess Titans’ । অনেক সুন্দর ত্রিমাত্রিক এই Chess টা। এ্যানিমেটেডও। সাউন্ড কোয়ালিটিও খারাপ না। লেভেল আছে ১০ টা। এই লেভেল হলো এক্সপার্ট লেভেল। ডিফল্ট ছিল ৮। আমি খেলে তো অবাক। যদিও আগের মত চিন্তা করে টাইম নিয়ে খেলতে পারি না এখন। তারপরেও অবাক করে দিয়ে প্রকৃতি আমাকে জিতিয়ে দিল। 😀 অনেকটা ‘মাই-গড’ টাইপের খুশি হয়েছিলাম। 🙂  ফেইসবুকে ফ্রেন্ডের সাথে সেই খুশি শেয়ারও করে ফেললাম। নিচে স্ক্রিনশট এ আমি ‘সাদা’ নিয়ে খেলেছিলাম।

দাবা নিয়ে কিছু কথা

বেশ কিছুদিন যাবত বিভিন্ন কারনে ব্লগে কিছুই লেখা হয় নাই। এছাড়াও অনেক ব্লগ এর জন্ম হয়েছে ইতিমধ্যে। লেখার তেমন কিছুই থাকেন না অনেক সময়। তবুও ব্লগ লিখতে আমার ভালো লাগে। অনেক আগেই নিচের লেখাটি আমি ড্রাফট এ সংরক্ষন করে রেখেছিলাম। পাবলিশ করা হয় নি। ভেবেছিলাম কিছুদিন পর পাবলিশ করবো। সেই কিছুদিন হয়ে গেল কিছু মাস, কিছু বছর। কথা বাড়িয়ে আর লাভ নাই। আসল কথায় আসি। আসল কথাটি দাবা নিয়ে। এখন যদিও দাবা তেমন আগের মত খেলা হয় না বললেই চলে। সময়ের অভাবে বা অস্থিরতার কারনে। …

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় খেলার তালিকায় দাবা অন্যতম। এটা বুদ্ধির খেলা হিসেবেই বেশি পরিচিত। কারণ দাবা বোর্ড দেখতে ছোটখাটো হলে কী হবে, এই খেলা খেলতে যথেষ্ট বুদ্ধি আর কৌশলের প্রয়োজন। দাবা খেলা একসময় আমি খুব বেশি খেলতাম। আমার খুব প্রিয় খেলা ছিল এটি। আজও প্রিয়, কিন্তু ব্রেইনকে এখন আর আগের মতন একদিকে রাখতে পারি না। দাবা নিয়ে ঘাটাঘাটি করতেও খুব ভালো লাগে। তবে, এখন প্রায় ৫/৭ বছর এরও বেশি হবে দাবা নিয়ে কিছুই করা হয় না। এমনকি দাবাটা যে কে নিয়ে গেছে তাও জানি না।  শুধু ভাঙ্গাচোরা একটা দাবা বোর্ড দেখি টেবিলে পড়ে আছে। এখন হঠাৎ করে সেই দাবা খেলার কথা খুব মনে পড়ছে। আর তাই আমি একটি নতুন বিভাগ খুললাম ‘দাবা‘ নিয়ে।

এখানে দাবার আলোচনার সাথে থাকবে মজার খবর, কথা, খেলা। এমনকি দাবার ধাঁধাঁ। যারা দাবা খেলা বেশ পছন্দ করেন এবং মনে করেন দাবা শেখা দরকার, তাদের এই বিভাগটি শুধু পছন্দই নয়, ভালো কাজেও আসবে আশা করি।

বিনামূল্যে বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১০ এর এসএমএস এলার্ট

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১০ এর সিডিউল (মানে কখন, কবে, কার সাথে খেলা হবে) এসএমএস এর মাধ্যমে জানতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

এতে আপনার কোন এসএমএস চার্জ  লাগবে না। সম্পুর্ন ফ্রী।

আর শুধু বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১০ এর ক্যালেন্ডারটি দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

‘সুমো ভাইরাস’!!

sumo virus

দুই সুমো রেস্টলার যারা ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত

‘ভাইরাল স্কীন’ (ভাইরাসের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ স্কীন) এর সাথে সম্পর্ক থাকে কিছু খেলাধূলার। যেমন; রাগবি ও রেস্টলিং। এর কারণে জাপানের দুইজন সুমো রেস্টলার মৃত্যুবরন করেছিলেন।

‘হার্পস গ্লাডিয়াটোরাম’, ‘স্ক্রামপক্স’ এগুলো এক প্রকার ইনফেকশান, যা এই ভাইরাসের কারণে হয়। হার্পস ইনফেকশান সাধারনত সেক্স এর সাথে সম্পর্ক থাকে। এবং অনেক সময় ইহা শরীরের অন্যান্য অংশতে ক্ষতিগ্রস্থ করে।

‘হার্পস গ্লাডিয়াটোরাম’ সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে শরীরের ছিড়ে পড়া অথবা ভাঙ্গা চামড়ার মাধ্যমে। এবং খেলাধূলার সাথে এর সম্পর্ক থাকে। যেমন, রেস্টলিং (যাতে শরীরের সাথে শরীরের নিকটতম যোগাযোগ হয়)।

গবেষকরা আক্রান্ত রেস্টলারদের উপর গবেষনা করেছেন এবং ‘জেনারেল ভাইরোলজি’ জার্নালে ৩৯ জন আক্রান্ত সুমো রেস্টলারদের কথা লিখেছেন। তারা বলেন, এই ধরনের খেলায় (শরীরের সাথে সংযোগ থাকে) খুব সহজেই সিরিয়াস আঘাত পাবার সম্ভাবনা থাকে এবং রেস্টলাররা সিরিয়াস আঘাত পেয়েও থাকে।

যিনি গবেষনা করেছেন সেই দুই জন সুমো রেস্টলারদের নিয়ে যারা মারা গিয়েছেন উক্ত ভাইরাসের কারনে তার নাম ‘ডা. কাজুও ইয়ানাগি’। তিনি বলেন এই হার্পস ভাইরাস লুকিয়ে থাকে আমাদের নার্ভস সেলে অনেক সময় ধরে এবং এর লক্ষণসমূহ অনেক পরে বুঝা যায়।

উৎস : বিবিসি নিউজ (২০০৮)
অনুবাদ : এলিন (এডমিন)