Category Archives: জানা-অজানা

‘টু-ওয়ে মিরোর’ কি এবং কি করে বুঝবেন আপনার আয়নাটি ‘টু-ওয়ে মিরোর’ কিনা ?

টু-ওয়ে মিরোর কি ?

মিরোর বা আয়না আমরা সবাই চিনি। আয়না আমরা নিজেকে দেখার কাজে ব্যবহার করি। এছাড়াও আরও অনেক ধরনের কাজে ব্যবহৃত হয়। বাথরুমে, ড্রেসিং রুমে, হোটেল এবং আরও বিভিন্ন স্থানে আয়না বসানো থাকে আমাদের উপকারের জন্যই।

কিন্তু কেমন হয় যদি এই আয়নাটি ব্যবহার করে আমাকে শুধু আমিই নই অন্য কেউ দেখতে পায় ঠিক সেই সকল স্থানে যেখানে প্রাইভেসি থাকা উচিত !! আমরা যে আয়নাটি ব্যবহার করছি সেটা কি সিকিউর ! হ্যা এট আসলেই চিন্তার বিষয়।

আয়না আবার সিকিউর হবে না কেন?

কিছু কিছু আয়না আছে যার দুইটি পাশ থাকে, একপাশ রিফ্লেক্ট করে যেটা ব্যবহার করে আমরা নিজেকে দেখতে পাই এবং অপর পাশ থাকে ট্রাস্পারেন্ট যা ব্যবহার করে অন্য কেউ আমাদের দেখতে পায়। একেই বলে ‘টু-ওয়ে মিরোর’।

যে ৫টি রোগ : যার ব্যাপারে ডাক্তাররা রোগীদের মিথ্যে বলে

১. থাইরয়েড ডিসঅর্ডারস (Thyroid Disorders)

থাইরয়েড ডিসঅর্ডারস (Thyroid Disorders)

থাইরয়েড হচ্ছে, ‘প্রজাপতির আকারে দেখতে একটি গণ্ড যা মানুষের ঘাড়ে বিদ্যমান এবং কলার-বোন বা  কণ্ঠার উপরে থাকে। ইহা একমাত্র অন্তঃ-স্রাবী গ্রন্থি যা হরমোন তৈরি করে থাকে। থাইরয়েড আমাদের বিপাক সেট কে সাহায্য করে (কি করে আমাদের শরীর খাদ্য থেকে শক্তি পায়)।

আর থাইরয়েড সমস্যাকে সহজভাবে বলতে গেলে গলার/ঘাড়ের সমস্যাকে বুঝায়। যা হোক, এই সমস্যা অনেক ধরনের হয়ে থাকে। সমস্যাগুলিকে ‘থাইরয়েড ডিসঅর্ডারস’ বলা হয়। সাধারণত এটা ঘটে থাকে যখন থাইরয়েড সঠিকমত কাজ না করে। এই সময় মানুষের বেড়ে ওঠা, নার্ভাস-সিস্টেম ঠিকমত কাজ করে না। আর রোগী বিষণ্ণতায়ও ভুগে থাকে।

ডাক্তাররা সাধারণত এই ধরনের সমস্যা ‘থাইরয়েড ডিসঅর্ডারস’ এর কথা রোগীকে বলে না। কোন মতে মিথ্যে বলে বিষয়টি এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করে।

আমরা কি অনেক কথা বলি(!)…

জ এক সাইটে দেখলাম কিছু মজার মজার তথ্য। দেখতে দেখতে হঠাৎ চোখে পড়ল একটি দারুন বিষয়। আমরা কি জানি আমরা দৈনিক কতটা শব্দ কথা বলতে ব্যবহার করি? আপনি কি বলতে পারবেন? গুনে দেখেছেন কখনও?
সেখানে লেখা ছিল আমরা নাকি দৈনিক গড়ে ৪৮০০ টি শব্দ ব্যবহার করি কথা বলতে।
এর মানে দাঁড়ায়, আমরা প্রতি ঘন্টায় প্রায় ২০০ টি শব্দ ব্যবহার করি আর প্রতি ১৫ সেকেন্ডে একটি করে শব্দ ব্যবহার করি কথা বলার সময়।

আসলেই আমরা প্রচুর কথা বলি!

কিন্তু কথা হলো আমরা যারা কম্পিউটারে কাজ করি। তারা তো প্রায়ই সময় চুপ করে কাজ করি। কথা কম বলা পড়ে(!)

জেনে নিন

ইলেকট্রনিক্স নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্যাসিও প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৬ সালে। প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন টাডাও ক্যাসিও। এর প্রথম পণ্য ছিল একটি বিশেষ অংশটি যা দিয়ে সিগারেট আটকে রাখা যেত।

উৎস : যুগান্তর ২০০৮

 

Huge new prime number discovered

Los Angeles, Sep 28 (BBC Online) – Mathematicians in California could be in line for a $100,000 prize (£54,000) for finding a new prime number which has 13 million digits.

Prime numbers can be divided only by themselves and one.

The prize was set up by the Electronic Frontier Foundation to promote co-operative computing on the Internet.