Category Archives: নিউজ

মৃত পাখি : যে ছিল নেশায় আচ্ছন্ন …

Dead birds were intoxicated, an investigation finds

কাম্ব্রিয়ার এক প্রাইমারী স্কুলের সামনে মরে থাকা এক ছোট্ট ব্লাকবার্ডকে পরীক্ষা করে দেখা গেছে পাখিটি ছিল মাতাল। অর্থাৎ পাখিটির শরীরে পাওয়া গেছে এলকহোল।

পশুপাখির বিশেষজ্ঞ এ ডজন পাখিকে পরীক্ষা করে যারা সেই প্লে গ্রাউন্ডেই ছিল, এবং তাদের অনেকেরই মানুষিক আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত দেখা গেছে।

আর মৃত সেই পাখিটিকে ‘ময়নাতদন্ত করে দেখা গেছে তার লিভারে জমে ছিল একদম শুদ্ধ এলকহোল, যার পরিমাণ ছিল অনেক।

অবশেষে সেই পাখিদের যারা জীবিত ছিল তাদের ভালো করে দেখাশুনা করায় একসময় তারা সুস্থ হয়ে উঠে।

চীনের এক অদ্ভুত বাড়ি – ‘পিয়ানো হাউজ’ !!

Piano-House-in-ChinaCubeme

এই পিয়ানো হাউজটি অবস্থিত চীন দেশে। চীনের হেফাই ইউনিভার্সটি অফ টেকনোলজির ”আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ফ্যাকাল্টি’ এর এক দল ছাত্র এই বাড়িটি ডিজাইন করেছে। তাদের কাজে সাহায্য করেছিল একটি ডিজাইনার কোম্পানি নাম, ‘হুয়াই-নান ফ্যাঙ্কাই ডেকোরেশন প্রজেক্ট’।

এই পিয়ানো হাউজটি রয়েছে, চীনের হুনাইনান শহরে। এই বিল্ডিংটি ডেভেলপ করা হয়েছে মিউজিক প্রেমীদের এবং আশেপাশের মিউজিক্যাল কলেজের স্টুডেন্টদের জন্য।

পিয়ানো হাউজটির ডিজাইনে রয়েছে দুইটি মিউজিক্যাল ইনস্ট্রূমেন্ট, একটি ট্রান্সপারেন্ট ভাইওলিন যার ভিতর থেকে দেখা যেতো বাড়িটিকে এবং আরেকটি পিয়ানো।

এই পিয়ানো হাউজটি লোকাল গোভারনমেন্টের অনুমতিতে ডেভেলপ করা হয়েছে।

রোবট ড্যান্স : গাং-নাম স্টাইলের তালে নেচে প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করেছে এক রোবট

চীনের পূর্বাঞ্চল ‘হ্যাংঝোউতে’ একক নৃত্যের উপরে একটি প্রতিযোগিতা হয়েছিল। সেখানে বিচারকও ছিলেন, দর্শকরাও ছিলেন, যেমনটি থাকে অন্যান্য সাধারণ প্রতিযোগিতাগুলিতে।

কিন্তু এই প্রতিযোগিতাটি অন্যান্য প্রতিযোগিতা থেকে ভিন্ন ছিল। এখানেrobot gangnam style dance প্রতিযোগীরা কোন মানুষ ছিল না। এই প্রতিযোগিতা হয়েছিল কিছু সংখ্যক রোবটদের নিয়ে।

আর সেখানে সকল রোবট নৃত্যশিল্পীদেরকে হারিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করে একটি রোবট, যে নেচেছিল এখনকার দিনের সারা জাগানো গান ‘গাং-নাম স্টাইল’ এর সাথে। এই গানটি এই পর্যন্ত ইউটিউবে ৬০০ মিলিয়নের মত হিট পড়েছে।

এই ‘গাং-নাম স্টাইল’ গানটি গেয়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার একজন র‍্যাপার (যে র‍্যাপ গান গায়) Psy । তিনি এই গানটি রিলিজ করেন এই বছরের জুলাই মাসে। এতে তিনি একটি বিশেষ স্টাইলে নেচেছেন যাকে নাম দিয়েছেন ‘গাং-নাম স্টাইল’ বা ‘হর্স ড্যান্সিং’।

নিচে ভিডিওটি দেখুন (ভিডিও লিংকটি মাঝে মাঝে কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে 🙁 )

ইউটিউব লিংক : http://youtu.be/lwcz0S_oqZM

উৎস : বিবিসি নিউজ ২০১২

বিস্ময়কর বানর-সদৃশ অর্কিড …

অর্কিড এর সাথে আমরা কমবেশি সকলেই পরিচিত।  ইহা এক প্রকারের ফুল, এবং Orchidaceae (অর্কিডাসি্‌ই)  পরিবারের একজন সদস্য। এই পৃথিবীতে কমপক্ষে ২৫০০০ প্রকারের ভিন্ন ভিন্ন অর্কিড রয়েছে। এই প্রকারের ফুল ঘরের শোভা বাড়ায়।

কিন্তু প্রকৃতি বড়ই বিচিত্র। বিচিত্র তার খেয়াল। আর তারই একটি উদাহরণ হল এই নতুন ধরনের অর্কিড। বিস্ময়কর এই অর্কিডকে বলা যায় ‘মানকি অর্কিড’ বা ‘বানর-সদৃশ অর্কিড’

Monkey Orchid

এই অদ্ভুত অর্কিড পৃথিবীর দক্ষিণ-পূর্ব দিকের ইকুয়াডোরিয়ান এবং পেনুভিয়ান ক্লাউড বনে প্রথম দেখা যায়। সে সময় এই অর্কিড ছিল প্রায় ১০০০ থেকে ২০০০ মিটার উঁচুতে তাই অনেক মানুষই বিভিন্ন স্থান হইতে ফুলগুলি দেখতে পায়।

এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘ড্রাকুলা সিমিয়া’।  এই অর্কিডের প্রধান বৈশিষ্ট্য যা অন্য অর্কিডগুলি থেকে একে ভিন্ন করে রেখেছে আর তা হল এগুলি দেখতে প্রায় বানরের মুখের মত।

এই ‘মানকি অর্কিডটি’ যে কোন ঋতুতেই জন্মাতে পারে। এর কোন নির্দিষ্ট সময় নেই। আর এই অর্কিডটি থেকে পাকা কমলার মত ঘ্রাণ আসতে থাকে।

Monkey Orchid

ভালো করে ছবিগুলিকে খেয়াল করুন। কি অবাক লাগছে না !

Monkey Orchid

আপনার এই অর্কিড যদি ভালো লেগে থাকে এবং মনে করে থাকেন আপনি ইহা সংগ্রহ করবেন, তাহলে প্রথমেই বলে রাখি ‘মানকি অর্কিড’ এর চাষ করা বেশ কঠিন। প্রচুর দেখাশুনা করতে হয় এবং ধৈর্যের প্রয়োজন। এর পরিবর্তে একটি ক্যাকটাস (এক প্রকার অর্কিড ফুল) রক্ষণাবেক্ষণ করা তুলনামূলকভাবে সহজ।

[ দয়া করে কেউ কপি পেস্ট করবেন না। যখন কোন আর্টিকেল অনেক কষ্টে লেখা হয় আর সেটাকে হুবহু কপি পেস্ট করতে দেখা যায, অনেক খারাপ লাগে। ]

বিচিত্র এক বাড়ি : বৃষ্টির তালে যে তাল মেলায়

এই পৃথিবী যেমন বিচিত্র তেমনি বিচিত্র এর মানুষগুলি, বিচিত্র তাদের শখ। আর

বিচিত্র বাড়ি

এই শখগুলি পূরণের জন্য তারা কত কিছুই না করে থাকে। এমনই এক উদাহরণ হিসাবে বলা যায় জার্মানির ড্রেসডেন নামক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা  বাড়িটির কথা।

প্রতিটি বাড়ির বাইরেই সংযুক্ত থাকে পাইপ, যা ব্যবহৃত পানিকে সরাসরি বাড়ির বাইরের ড্রেনে পাঠিয়ে দেয়। জার্মানির এই বাড়িটির বাইরেও রয়েছে এমনই সংযুক্ত পাইপ যা অন্যান্য বাড়ির মত এই বাড়িটি থেকেও ব্যবহৃত পানি বাড়ির বাইরে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু এই বাড়িটির পাইপগুলি অন্যান্য বাড়ির মত একই রকম না, যথেষ্ট ভিন্ন যা দেখলে বুঝা যায় পৃথিবী বড়ই বিচিত্র।

এই বাড়িটি থেকে যখন পানি পাইপ বেয়ে ড্রেনে পড়ে তখনই হয় এক অদ্ভুত ব্যাপার। পাইপের সিস্টেমের জন্য সেই সময় শুরু হয় বিচিত্র মিউজিক। পাইপের ডিজাইন করা হয়েছে মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্টসের ডিজাইনে, যার ভিতর দিয়ে পানি বয়ে গেলেই মিউজিক বেজে উঠে। যখন বৃষ্টি হয় তখন এই বাড়িটি তার মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্টস নিয়ে নেমে পড়ে এক বিচিত্র সঙ্গীতানুষ্ঠানে। হয়তোবা ‘সিঙ্গিং বার্ডগুলিও’ সেই সময় তাদের মনের খুশিতে গান গাইতে থাকে।

বিচিত্র বাড়ি