Category Archives: অন্যান্য

ওয়াও !! ‘ইউটিউব’ iS BacK টু mE …. !! :)

ইউটিউব’ কমবেশি সকলের কাছেই অনেক প্রিয়। বাংলাদেশে এই ‘ইউটিউব‘ বন্ধ করে দেবার পর কার কাছে কেমন লেগেছে জানি না, আমার কাছে খুবই খারাপ লেগেছে। কারণ, আমরা যারা ইউটিউব ব্যবহার করে থাকি শুধু মাত্র ভালো কোয়ালিটির গানের জন্য। আর যে মুভিটির জন্য একে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল সেই মুভি আমি এমনিতেই দেখতাম না। আর যারা দেখতে চায় তারা ইউটিউব বন্ধ হবার পরেও দেখতে পেরেছে মুভিটা। তো, কি লাভ হল !

youtube

যা হোক। আজ অনেক ভালো লাগছে। এতদিন ট্রাই করেছিলাম নেটে দেয়া কিছু কিছু নিয়মে ইউটিউব কে চালাতে। কিন্তু আমি যেমন ভাবে চালাতে চাই তেমনিভাবে পারছিলাম না।

রং নম্বর এবং আমি ও এক আফ্রিকান

সেদিন রাতে প্রায় ১ টার সময়, একটি কল এলো। আমি কলটি রিসিভ করতেই অবস্থা খারাপ। :p

কে যেন আজগুবি ভাষায় কথা বলছে। কথা শুনে মনে হচ্ছে ইংরেজি সিনেমায় জংগলের দৃশ্যে যেমন কিছু মানুষ দেখায়, কালো দেহ এবং জামাকাপড় বলতে গেলে থাকেনা, আর হাতে থাকে বর্শা, সর্বক্ষণ তারা শিকারের নেশায় থাকে, এমন কারও সাথে কথা বলছি। আমি প্রথম দিকে অনেকটা অবাক এবং কৌতূহলী হয়ে গেলাম।

আমি তাকে কোন মতেই বুঝাতে পারছিলাম না আমি তার ভাষাটি বুঝতে পারছি না। কারণ সে আবার ইংরেজি বোঝেনা, শুধুমাত্র কয়েকটি শব্দ বোঝে। আমি আমার আম্মুকে দিলাম ফোনটি কারণ আম্মু অনেকটা মজা পাবে তাই। পরে আবার আম্মু আমাকে ফোনটি দিয়ে দিল আর বলল আমি যেন ইংরেজিতে তাকে বলি এটা বাংলাদেশ। আমি ইংরেজিতে তাকে এটা বাংলাদেশ শুধু এটাই-না আরও অনেক কিছুই বলতে লাগলাম। বাঙ্গালিদের থেকে ভিন্ন কোন দেশের মানুষের সাথে ইংরেজি বলাটা আমার কাছে তুলনামূলক সহজ মনে হয়। 🙂

কি আর করা আমি আমার মত ইংরেজি বলে যাচ্ছি আর তিনি তার মত আজগুবি ভাষা। এমনটি হয়েছে প্রায় ৩০ মিনিটের মত।

যেন আমি ইংলিশ স্পোকেন প্রাকটিস করে যাচ্ছি আর সে আজগুবি ভাষা। :p অনেক সময় ধরে এমনটি চলার পর জানতে পারলাম সে আফ্রিকান এবং তার স্ত্রীকে চাচ্ছে, যার নাম ‘হুন্দাখা ইমা নাকি ইনা জানি’। :p

আমি তার নাম জানতে গেলেই যখন বলি ‘হোয়াট ইজ ইউর নেইম’, ওমনি সে শুধুমাত্র বুঝে ‘নেইম’ শব্দটি, আর বলে ওঠে ‘হুন্দাখা, হুন্দাখা’। :p

আমি দ্বিতীয়বার তার নাম জানতে চাওয়ায় এইবার বলে ওঠে ‘হুন্দাখা, হুন্দাখা, হুন্দাখা ইনা’। :p

এছাড়াও কত যে ‘হুন্দাখা’ টাইপের মত শব্দ বলে যাচ্ছিল তার ঠিক নেই। :p

আমার একসময় মনে হচ্ছিল আমি যার সাথে কথা বলছি সে শরীর খুবই কম ঢেকে রাখা, কালো রঙের একজন আফ্রিকান, যার গলায়, হাতে পায়ে মাথায় আর কত কত যায়গায় উদ্ভট জিনিস পড়া এবং তার এক হাতে বর্শা আর এক হাতে মোবাইল ফোন। :p

সে ‘হ্যালো’ বলে এইভাবে, ‘হেলুউউউউউ !!’ :p তার কথা শেষে আমি কিছু সময় চুপ করে থাকলেই সে বলে উঠে ‘হেলুউউউউ !!’ :p

তারপর শুরু করে বিশাল বিশাল আজগুবি বাক্য যার শেষের শব্দ ছাড়া কিছুই আমি বুঝতে পারছি না। আর সেই শেষের শব্দটি ছিল ‘হুন্দাখা’ ! :p

লাইন কেটে যাওয়ায় কেন জানি মনটা খারাপ লাগছিল। আবার দুই/তিন মিনিট পর সে কল দিল এবং ‘হুন্দাখা’ টাইপের কথা শুরু করে দিল।  🙂

সেই রাতে আমার অল্প সময়ের জন্যও বিব্রত বোধ হয়নি, বরং ভালোই লাগছিল। মনে মনে আশা করছিলাম আবার সেই ‘হুন্দাখা’ টাইপের শব্দটি তার কণ্ঠে শোনার জন্য। 🙂

(বি: দ্র: আসল ঘটনার সাথে এই ছবিটির কোন সত্যতা নেই। এটি আমি ফোটশপে কোন এক আফ্রিকান লোকের মুখের এক্সপ্রেশান পরিবর্তন করেছি এই ঘটনার সাথে মিল রাখার জন্য)

– এলিন [ ২২-অক্টোবর-২০১২ ইং ]

অনেকদিন পর আবার ‘দাবা’ নিয়ে টুকিটাকি এবং অনলাইনে দাবা খেলার জন্য ভালো একটি সাইট

আগে মানে অনেক আগে প্রচুর ‘দাবা’ খেলা হতো। আমার বন্ধুদের সাথে, ক্লাশম্যাটদের সাথে, কাকা/মামাদের সাথে, আমার আম্মুর সাথে এমনকি একা একাও। বলা যায় আমি ছিলাম দাবার একটা ফ্যান। তখন ধৈর্যও ছিল অনেক। মোটামুটি খুব একটা খারাপও খেলতাম না এই দাবাটা। এখনও মনে পড়ে, সাইফুল, সোহাগ, রাজীব এর কথা এমনকি আমার শাহাদাত কাকার কথাও। আমার সাথে দাবা খেলত প্রতিদিন অন্তত ১ গেম হলেও। আমি আমার স্যার (যিনি বাসাতে পড়াতেন) তাঁর সাথেও দাবা খেলতাম পড়ার শেষে।

কিন্তু আজ আর এমন ধৈর্যশক্তিও নেই আর মানুষিক অবস্থাও নেই। তাই দাবার মত এত সুন্দর একটি খেলা থেকে দূরে সরে যাচ্ছি।

কি মনে করে যেন আবার দাবার কথা মনে পড়তেই টুকটাক এটাকে নিয়ে নাড়াচাড়া করা পড়ছে। প্রথমে ধরলাম উইন্ডোজ ৭ এর ‘Chess Titans’ । অনেক সুন্দর ত্রিমাত্রিক এই Chess টা। এ্যানিমেটেডও। সাউন্ড কোয়ালিটিও খারাপ না। লেভেল আছে ১০ টা। এই লেভেল হলো এক্সপার্ট লেভেল। ডিফল্ট ছিল ৮। আমি খেলে তো অবাক। যদিও আগের মত চিন্তা করে টাইম নিয়ে খেলতে পারি না এখন। তারপরেও অবাক করে দিয়ে প্রকৃতি আমাকে জিতিয়ে দিল। 😀 অনেকটা ‘মাই-গড’ টাইপের খুশি হয়েছিলাম। 🙂  ফেইসবুকে ফ্রেন্ডের সাথে সেই খুশি শেয়ারও করে ফেললাম। নিচে স্ক্রিনশট এ আমি ‘সাদা’ নিয়ে খেলেছিলাম।

আবারও মোবাইল পরিবর্তন করলাম…

আমি প্রায়ই মোবাইল পরিবর্তন করি। এবং তারই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গতকালও নতুন মোবাইল কিনলাম। নতুন মডেলের সেই কোয়ার্টি কী-প্যাড ওয়ালা। মোবাইল যতই পরিবর্তন করি না কেন, এখন আর আমার মোবাইলের পেছনে তেমন টাকা খরচ করতে আগের মত ইচ্ছা যাগে না। একটু বেশি টাকা খরচ করতেই মনে হয় টাকাটা পিসি’র পিছনে খরচ করলে আরও ভালো হবে। তাই কিছুটা কমের ভিতরেই কিনলাম, আবার একটু ভালো না হলে তো হয় না। তাই ‘Symphony X110’ কিনলাম।

যেহেতু এখন চায়নার ভিতরেরই কিনতে হবে, তাই চেষ্টা করলাম ওয়ারেন্টিসহ নিতে। পেয়েও গেলাম, এতে ১ বছরের ওয়ারেন্টি রয়েছে। আবার সাউন্ড কোয়ালিটি তুলনামুলকভাবে বেশ ভালো। দেখতেও আমার ভালো লাগলো। আমি আবার ছোট সাইজের চিকন মোবাইল ব্যবহার করতে পছন্দ করি না। তাই একটু চ্যাপ্টা আকার নিলাম। এর ক্যামেরা ফাংশনও বেশ ভালো। ছবি বেশ ভালো আসে।

এতে রয়েছে, কোয়ার্টি কী-প্যাড, ট্র্যাক-বল রয়েছে যা দিয়ে আপনি কার্সর ডানে, বামে, উপরে এবং নিচে মুভমেন্ট করাতে পারবেন, ২.০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, GRRS এবং EDGE যার Class 12, ফেইসবুক, অপেরা মিনি বিল্টইন রয়েছে। এর সাথে উফারের কানেকশান দিয়েও গান শোনা যায়, ডুয়েল সিম যা দুটোই একত্রে চালু থাকে, মাইক্রো এসডি ম্যামোরি কার্ড যা ৮ গিগাবাইট পর্যন্ত সাপোর্ট করবে, এফএম রয়েছে যা দারুণ ভাবে আমার এখানে সাপোর্ট করছে তাও আবার চমৎকার সাউন্ড কোয়ালিটির সাথে, এমপিথ্রি, এমপিফোর তো আছেই, এছাড়াও বিল্ট-ইন ইন্টারনেট কানেকশানও রয়েছে, ব্লুটুত ২.০ ভার্সন, এটি ফুল জাভা সাপোর্টেড এবং ইউনিকোড সাপোর্টেড, যার ফলে যেকোন বাংলা লেখা পড়তে পারা যায় খুব সহজেই, যেমন টেক্সট ফাইলে বাংলা ইউনিকোডে কিছু লিখে ফাইলটি ইউনিকোডে সেইভ করলে তা মোবাইল থেকেও পড়া যায়। এছাড়াও আরও বেশ কিছু অপশন রয়েছে।

মোট কথা দামের সাথে তুলনা করলে বেশ ভালো।

ফেইসবুক…

কিছুদিন ফেইসবুক বন্ধ থাকায় নিজেও সকল স্থান থেকে এর লিংক তুলে দিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম এর আর দরকার নাই। কিন্তু কয়েকদিন পর মনে হলো কি যেন একটা নেই।

ফেইসবুক এর প্রবেশ করি না অনেক দিন হয়ে গেল। আজ হঠাৎ করে আমার ইমেইলে দেখলাম একটা মেইল এলো, যেখানে লেখা ছিল ফেইসবুক থেকে আমার চাচাত বোন আমাকে ম্যাসেজ সেন্ড করেছে। আমি তো অবাক হয়ে গেলাম প্রথমে।

মেইলটি ওপেন করতেই ফেইসবুকের সেই পুরাতন দৃশ্যটি চোখের সামনে খুলে গেল। খুব ভালো লাগল। বিশেষ করে আমার কিছু কিছু বন্ধু এবং চাচাত বোনটির আমার সাথে যোগাযোগের সহজ এবং একমাত্র মাধ্যম ছিল এই ‘ফেইসবুক’।

আবারও ‘ফেইসবুকের’ সেই মুছে ফেলা লিংকগুলো বসাচ্ছি এখন…